৫ মে ২০২৬

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে বেরিয়ে গেল যুক্তরাষ্ট্র

Logo
বাংলা প্রেস প্রকাশ: ২৩ জানুয়ারী ২০২৬, ০৮:৩৯ এএম
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে বেরিয়ে গেল যুক্তরাষ্ট্র

 

বাংলাপ্রেস ডেস্ক:বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) থেকে নিজেদের প্রত্যাহার করে নেওয়ার প্রক্রিয়া সম্পন্ন করেছে যুক্তরাষ্ট্র। বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) ডনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন এ ঘোষণা দেয় বলে এবিসি নিউজের খবরে বলা হয়েছে।

প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প এ সংক্রান্ত নির্বাহী আদেশে সই করার ঠিক এক বছরের মাথায় এ প্রত্যাহারের প্রক্রিয়া সম্পন্ন হলো।

যুক্তরাষ্ট্রের স্বাস্থ্য ও মানবসেবা বিভাগ (এইচএইচএস) ও পররাষ্ট্র দপ্তর যৌথভাবে এ সিদ্ধান্তের ঘোষণা দেয়।

বৃহস্পতিবার এইচএইচএসের এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা বলেন, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা নিজেদের মূল লক্ষ্য থেকে সরে গেছে। তারা একাধিকবার মার্কিন নাগরিকদের সুরক্ষার প্রশ্নে যুক্তরাষ্ট্রের স্বার্থের বিরুদ্ধে কাজ করেছে।

কোভিড মহামারীর সময় ডব্লিউএইচওর ভূমিকা নিয়েই মূল সমালোচনা ট্রাম্প প্রশাসনের। যুক্তরাষ্ট্রের অভিযোগ, ডব্লিউএইচও বৈশ্বিক স্বাস্থ্য জরুরি অবস্থা ঘোষণা করতে দেরি করেছে।

তারা এটাও বলছে, মহামারীর শুরুর দিকে কিছু দেশ থেকে যুক্তরাষ্ট্রে ভ্রমণ বন্ধ করার যে সিদ্ধান্ত ট্রাম্প নিয়েছিলেন, ডব্লিউএইচও ‘অন্যায়ভাবে’ সেটার সমালোচনা করেছে।

অন্যান্য যুক্তি হিসেবে এইচএইচএস বলছে, ডব্লিউএইচওতে চীনের মতো কিছু দেশের অর্থনৈতিক অবদান যুক্তরাষ্ট্রের চেয়ে কম। তারপরও ডব্লিউএইচওতে কখনো কোনো মার্কিন নাগরিক মহাপরিচালকের পদ পাননি।

জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা ডব্লিউএইচও থেকে যুক্তরাষ্ট্রের প্রত্যাহারের সমালোচনা করেছেন।

তাদের মতে, এ সিদ্ধান্তের ফলে দেশটি স্বাস্থ্য সংকট মোকাবিলার ক্ষেত্রে পিছিয়ে পড়বে।

‘ইনফেকশাস ডিজিজেস সোসাইটি অব আমেরিকার’ প্রেসিডেন্ট রোনাল্ড নাহাস এবিসি নিউজকে বলেন, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা থেকে যুক্তরাষ্ট্রের সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্তটি ভুল। এটি দূরদর্শিতার অভাবও। এই সিদ্ধান্ত আমাদের বৈশ্বিক স্বাস্থ্য প্রতিশ্রুতি থেকে সরে আসার শামিল।

তিনি বলেন, জীবাণু সীমান্ত মানে না, তাই নিজেদের নাগরিকদের সুরক্ষায় বৈশ্বিক সহযোগিতা ও যোগাযোগ অত্যন্ত জরুরি।
বিপি/কেজে

[বাংলা প্রেস হলো মুক্ত চিন্তার একটি বৈশ্বিক প্রচার মাধ্যম। এটি স্বাধীনচেতা মানুষের জন্য নিরপেক্ষ সংবাদ, বিশ্লেষণ ও মন্তব্য সরবরাহ করে। আমাদের লক্ষ্য হলো ইতিবাচক পরিবর্তন আনা, যা আজকের দিনে আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ।]

মন্তব্য (0)

আলোচনায় যোগ দিন

আপনার মতামত শেয়ার করতে এবং অন্যান্য পাঠকদের সাথে যুক্ত হতে দয়া করে লগইন করুন।

এখনো কোন মন্তব্য নেই

Be the first to share your thoughts on this article!

আপনি এগুলোও পছন্দ করতে পারেন

স্ট্রিট কিচেন-স্পাইস টাউন


স্ট্রিট কিচেন-স্পাইস টাউন

সঙ্গীত একাডেমি


সঙ্গীত একাডেমি