৪ মে ২০২৬

বেওয়ারিশ গরুকে দত্তক নিলেই বিশেষ সংবর্ধনা

Logo
বাংলা প্রেস প্রকাশ: ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ১২:৩৮ পিএম
বেওয়ারিশ গরুকে দত্তক নিলেই বিশেষ সংবর্ধনা

বাংলাপ্রেস ডেস্ক, ঢাকা : ভারত সরকার বদলেছে, মুখ্যমন্ত্রী বদলেছেন। তথাকথিত ধর্মনিরপেক্ষ দল ক্ষমতায় এসেছে। কিন্তু গো-প্রীতি কমেনি গোবলয়ের। উত্তরপ্রদেশ সরকারের পর এবার রাজস্থানের কংগ্রেস সরকারও বেওয়ারিশ গরুদের জন্য বিশেষ ব্যবস্থা করতে চলেছেন।

মুখ্যমন্ত্রী অশোক গেহলট ঘোষণা করেছেন, যে সমস্ত নাগরিক রাস্তার বেওয়ারিশ গরুকে দত্তক নেবেন তাদের বিশেষ সম্মান দেবে রাজ্য সরকার। আগামী ২৬ জানুয়ারি প্রজাতন্ত্র দিবস, এবং ১৫ আগস্ট স্বাধীনতা দিবসে তাদের আলাদা করে সম্মান প্রদর্শন করবে সরকার। প্রশ্ন উঠছে, এতদিন যে কংগ্রেস বিজেপির গো-রাজনীতির বিরোধিতা করত, তারাই এখন গো-মাতার প্রতি বিশেষ যত্নশীল।

আসলে গোবলয়ের রাজ্যগুলিতে বেওয়ারিশ গরুর অত্যাচার একটা বড় সমস্যা। এই ধরনের গরুগুলি প্রচুর ফসল নষ্ট করে, এবং রাস্তাঘাট নোংরা করে। তাই এদের জন্য রাজ্যের প্রতিটি জেলায় গোশালা তৈরির পরিকল্পনা করা হচ্ছে। তবে, তার আগেই সরকার আহ্বান জানিয়েছেন নাগরিকদের এগিয়ে আসতে। গো-পালন ডিরেক্টরেটের তরফে একটি বিজ্ঞপ্তি জারি করে জানানো হয়েছে, যে সমস্ত নাগরিকরা রাস্তার বেওয়ারিশ গরু দত্তক নেবেন তাদের বিশেষ সম্মান দেবে সরকার।

ইতিমধ্যেই, জেলা কালেক্টরদের দপ্তরে নোটিস পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে। মূলত, সমাজসেবী, গো-প্রেমী এবং স্বেচ্ছাসেবী সংস্থাগুলিকে গরু দত্তক নিতে আহ্বান করা হয়েছে। যদি, কেউ গরু নিজের বাড়িতে না রেখে সরকারি গোশালায় রাখতে চান, সে সুবিধাও থাকছে। তবে, সেক্ষেত্রে সরকারি খাতে নির্দিষ্ট অংকের অর্থ জমা দিতে হবে। যে কেউ এইভাবে গরু দত্তক নিতে পারেন। এর আগে উত্তরপ্রদেশ সরকার বেওয়ারিশ গরুদের সুরক্ষার জন্য রাজ্যবাসীর উপর ২ শতাংশ গোরক্ষা সেস বসিয়েছিল। রাজস্থান সরকারও একই পথে হাঁটছে।

রাজস্থানের গো-পালন ডিরেক্টরেটের তরফে জানানো হয়েছে, “গরুদের রক্ষার ক্ষেত্রে আমরা সাধারণ নাগরিকেরও সহযোগিতা চাইছি। যারা ইতিমধ্যেই বেওয়ারিশ গরু দত্তক নিয়েছেন, তাঁরাও জেলা কালেক্টরের অফিসে গিয়ে নিজেদের বক্তব্য পেশ করুন। তাদের বিশেষ সার্টিফিকেট দেওয়া হবে।”

বিপি/আর এল

[বাংলা প্রেস হলো মুক্ত চিন্তার একটি বৈশ্বিক প্রচার মাধ্যম। এটি স্বাধীনচেতা মানুষের জন্য নিরপেক্ষ সংবাদ, বিশ্লেষণ ও মন্তব্য সরবরাহ করে। আমাদের লক্ষ্য হলো ইতিবাচক পরিবর্তন আনা, যা আজকের দিনে আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ।]

মন্তব্য (0)

আলোচনায় যোগ দিন

আপনার মতামত শেয়ার করতে এবং অন্যান্য পাঠকদের সাথে যুক্ত হতে দয়া করে লগইন করুন।

এখনো কোন মন্তব্য নেই

Be the first to share your thoughts on this article!

আপনি এগুলোও পছন্দ করতে পারেন

স্ট্রিট কিচেন-স্পাইস টাউন


স্ট্রিট কিচেন-স্পাইস টাউন

সঙ্গীত একাডেমি


সঙ্গীত একাডেমি