
ফরিদপুর থেকে সংবাদদাতা: ফরিদপুরের সিএন্ডবি ঘাট নৌবন্দরের সড়কের বর্তমান অবস্থা খুবই খারাপ। দীর্ঘদিন ধরে সংস্কার করা হচ্ছে না এ সড়কগুলো। ফলে ভোগান্তিতে রয়েছেন বন্দরের ব্যবসায়ী ও শ্রমিকরা। জানা যায়, দেশের বিভিন্ন বন্দর থেকে বড় বড় জাহাজ, কার্গো ও টলার নৌপথে সার, সিমেন্ট, কয়লা, বালুসহ নানা পণ্য নিয়ে ফরিদপুর সিএন্ডবি ঘাট নৌবন্দরে আসে।
এসব পণ্য নৌবন্দর থেকে সড়ক পথে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে সরবরাহ করা হয়ে থাকে। অর্ধশত বছরের পুরান ঐতিহ্যবাহী সিএন্ডবি ঘাটকে ২০১৫ সালের নৌবন্দর ঘোষণা করা হলেও বন্দরের উন্নয়নে কোনো কাজ করেনি বিআইডব্লিউটিএ’র। দুই-একটা পন্টুন ও জেটি ছাড়া কিছুই নেই এ নৌবন্দরে। একটু বৃষ্টি হলেই পুরো বন্দরজুড়ে সৃষ্টি হয় জলাবদ্ধতা। এতে কাঁদা-পানিতে ভরে যায় খানাখন্দে ভরা বন্দরের এ সড়কগুলো। ফলে প্রায়ই ঘটছে ছোট-বড় দুর্ঘটনা। নষ্ট হচ্ছে গাড়ির যন্ত্রাংশ। এতে ভোগান্তিতে রয়েছে বন্দরের ব্যবসায়ী, যানবাহনের শ্রমিক ও বন্দরে মালামাল বহনকারী প্রায় ছয় হাজার শ্রমিক।
নৌ বন্দরের ব্যবসায়ী মো. মজিবুর রহমান বলেন, সিএন্ডবি ঘাটকে নৌ বন্দর ঘোষণা করা হলেও এর রাস্তাঘাটের বেহাল অবস্থা। এতে আমরা চরম ক্ষতির মধ্যে রয়েছি। আমরা নিয়মিত খাজনা দিচ্ছি। কিন্তু কোনো সুবিধা পাচ্ছি না। দ্রুত বন্দরের রাস্তাগুলো সংস্কারের জন্য সরকারের কাছে দাবি জানাচ্ছি। স্থানীয় ডিগ্রিরচর ইউপি চেয়ারম্যান মেহেদী হাসান মিন্টু জানান, সিএন্ডবি ঘাট একটি বড় নৌবন্দর। এ বন্দর থেকে সরকার প্রতিবছর কোটি কোটি টাকা রাজস্ব আয় করলেও বন্দরের উন্নয়নের কোনো কাজ করা হচ্ছে না।
এভাবে চলতে থাকলে ব্যবসায়ীরা আর খাজনা দেবেন না। রাস্তা মেরামত না করা হলে খাজনা বন্ধ করে দিয়ে ব্যবসায়ীরা নিজেরাই রাস্তা বানিয়ে নিবেন। বিআইডব্লিউটিএ’র (আরিচা ঘাট) উপ-পরিচালক মাসুদ পারভেজ জানান, নৌবন্দরের রাস্তাঘাটের উন্নয়নের জন্য টেন্ডার চলছে। আশা করছি দ্রুত সময়ের মধ্যে কাজ শুরু হবে।
বিপি/কেজে
[বাংলা প্রেস হলো মুক্ত চিন্তার একটি বৈশ্বিক প্রচার মাধ্যম। এটি স্বাধীনচেতা মানুষের জন্য নিরপেক্ষ সংবাদ, বিশ্লেষণ ও মন্তব্য সরবরাহ করে। আমাদের লক্ষ্য হলো ইতিবাচক পরিবর্তন আনা, যা আজকের দিনে আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ।]