বাঞ্ছারামপুরে আ' লীগের দু-গ্রুপের সংঘর্ষে আহত ৪০
বাংলাপ্রেস, ঢাকা : ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুর উপজেলায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে সোনারামপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ নেতা মতিউর রহমান সরকার ও ফরিদ মিয়া গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষে ২০ জন টেঁটাবিদ্ধসহ অন্তত ৪০ জন আহত হয়েছেন।
এ সময় ৩টি বাড়িঘর ভাঙচুরের ঘটনাও ঘটে। এলাকায় চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে এলাকায় পুলিশ মোতায়েন রয়েছে। বুধবার দুপুরে উপজেলার সোনারামপুর ইউনিয়নের শান্তিপুর গ্রামে এই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এই সংঘর্ষের খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
টেঁটাবিদ্ধ আহতরা হলেন জয় মালা বেগম (৩৫), মোক্তার হোসেন (৩০), সাব মিয়া (৪০), জালাল মিয়া (৫০), সোহরাব হোসেন (৩০), দুলাল মিয়া (৩৫), কামাল মিয়া (৪০), সাইদ মিয়া (৩০), জিয়া উদ্দিন (৪০), নুরুল ইসলাম (৫০), সহিদ মিয়া (৬০), সাইদুর রহমান (২৫), ইউনুছ আলী (৪০), শিমুল (৩০), ইসমাইল হোসেন (৪০), খোকন মিয়া (৩৫), মোছেন মিয়া (৫০), ফরহাদ মিয়া (৪৫), ফারুক মিয়া (৪৫), মন্টু মিয়া (৪০), কামাল মিয়া (৩০)। আহতদেরকে নরসিংদী সদর হাসপাতাল ও বাঞ্ছারামপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এ ভর্তি করা হয়েছে।
এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার সোনারামপুর ইউনিয়নের শান্তিপুর গ্রামের বাসিন্দা উপজেলা আওয়ামী লীগের সদস্য ফরিদ মিয়ার সঙ্গে সোনারামপুর ইউনিয়নের সাবেক আওয়ামী লীগ সভাপতি একই গ্রামের প্রভাবশালী নেতা মতিউর রহমান সরকার ওরফে মতি মেম্বারের কয়েক দিন ধরে বিরোধ চলে আসছিল। এ নিয়ে বুধবার সকাল ১০টার সময় সোনারামপুর ইউনিয়ন পরিষদে দুপক্ষের সঙ্গে ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যানের বৈঠক হওয়ার কথা ছিল। উভয়পক্ষের লোকজন বৈঠকে উপস্থিত হলেও বৈঠক শেষ না করে চলে যায়। পরে দুপুর ১টার দিকে দুপক্ষ দেশি ও অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। এই সময় ২০ জন টেঁটাবিদ্ধসহ ৪০ জন আহত হয়। সংঘর্ষের খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। সূত্রঃ যুগান্তর ।
বিপি/আর এল
আপনি এগুলোও পছন্দ করতে পারেন
আন্তরিকতার সঙ্গে দেশসেবা করতে নবীন সেনা কর্মকর্তাদের প্রতি প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান
স্ট্রিট কিচেন-স্পাইস টাউন
সঙ্গীত একাডেমি