৫ মে ২০২৬

বাকস্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ হতে পারে বাংলাদেশের ডিজিটাল আইন : মার্কিন পররাষ্ট দপ্তর

Logo
বাংলা প্রেস প্রকাশ: ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ১২:৩৭ পিএম
বাকস্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ হতে পারে বাংলাদেশের ডিজিটাল আইন : মার্কিন পররাষ্ট দপ্তর
নিউ ইয়র্ক প্রতিনিধি: বাংলাদেশের ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন কণ্ঠরোধে ও বাকস্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ করতে পারে। ফলে বাংলাদেশের গণতন্ত্র ও উন্নয়ন ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে বলে মন্তব্য করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তরের এক মুখপাত্র।যুক্তরাষ্ট্রস্থ বাংলা গণমাধ্যমের এক সংবাদকর্মির সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন। তিনি বাংলাদেশে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে আন্তর্জাতিক আইন, মানবাধিকার, নাগরিক ও রাজনৈতিক অধিকারের প্রতি বাংলাদেশের প্রতিশ্রুতির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে আইনে প্রয়োজনীয় পরিবর্তন করার জন্য আহ্বান জানিয়েছে তিনি। যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তরের ওই মূখপাত্র বলেন, ‘আমরা ডিজিটাল নিরাপত্তার প্রয়োজনীয়তা সম্পর্কে একমত। তবে সারাবিশ্বের সঙ্গে আমরাও মনে করি বাংলাদেশের ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন কণ্ঠরোধে ও বাকস্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ করতে পারে। এতে করে ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে বাংলাদেশের গণতন্ত্র ও উন্নয়ন।’ ৮ অক্টোবর বাংলাদেশ পাশ হয়ে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন। এরপর থেকেই বিভিন্ন মানবাধিকার সংগঠন ও আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় এর সমালোচনা করছে। মার্কিন পররাষ্ট্র দফতরের ওই মুখপাত্র বলেন, আমরা বাংলাদেশ সরকারকে এই আইন পুনরায় পর্যালোচনার আহ্বান জানাই। আন্তর্জাতিক আইন, মানবাধিকার, নাগরিক ও রাজনৈতিক অধিকারের প্রতি অঙ্গীকার অটুট রেখে যেন বাংলাদেশ বিষয়টি বিবেচনা করে বৈধ বাকস্বাধীনতার চর্চা যেন ব্যহত না হয় সে বিষয়টি খেয়াল রাখে। তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র সবসময়ই অনলাইনে মতপ্রকাশসহ সব ধরনের বাকস্বাধীনতায় বিশ্বাস করে। এটি গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থায় অন্যতম চাবিকাঠি। মার্কিন সাময়িকী ফোর্বসের মতে, আইনটি মূলত ঔপনিবেশিক আমলের অফিসিয়াল সিক্রেটস অ্যাক্ট অনুসারে তৈরি করা হয়েছে। সংবাদমাধ্যমের কার্যক্রমের ওপর কড়াকড়ি আরোপ করা হয়েছে। ফোর্বস জানায়, ’১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে প্রপাগান্ডা ছড়ানোয় ১৪ বছর পর্যন্ত জেল এবং উষ্কানি ও আতঙ্ক ছড়ায় এমন তথ্য প্রকাশে ৩ বছরের কারাদণ্ডের বিধান রাখা হয়েছে আইনটিতে।
[বাংলা প্রেস হলো মুক্ত চিন্তার একটি বৈশ্বিক প্রচার মাধ্যম। এটি স্বাধীনচেতা মানুষের জন্য নিরপেক্ষ সংবাদ, বিশ্লেষণ ও মন্তব্য সরবরাহ করে। আমাদের লক্ষ্য হলো ইতিবাচক পরিবর্তন আনা, যা আজকের দিনে আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ।]

মন্তব্য (0)

আলোচনায় যোগ দিন

আপনার মতামত শেয়ার করতে এবং অন্যান্য পাঠকদের সাথে যুক্ত হতে দয়া করে লগইন করুন।

এখনো কোন মন্তব্য নেই

Be the first to share your thoughts on this article!

স্ট্রিট কিচেন-স্পাইস টাউন


স্ট্রিট কিচেন-স্পাইস টাউন

সঙ্গীত একাডেমি


সঙ্গীত একাডেমি