৭ মে ২০২৬

আমেরিকা কখনো যাইনি, ভবিষ্যতেও যাবও না: বিদায়ী প্রধান বিচারপতি

Logo
বাংলা প্রেস প্রকাশ: ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ১২:৪১ পিএম
আমেরিকা কখনো যাইনি, ভবিষ্যতেও যাবও না: বিদায়ী প্রধান বিচারপতি
বাংলাপ্রেস ডেস্ক: মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশিদের জন্য যে ভিসানীতি ঘোষণা করেছে তাতে বিচলিত নন বলে জানিয়েছেন বিদায়ী প্রধান বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকী। বলেছেন, তিনি কখনো আমেরিকায় যাননি এবং ভবিষ্যতেও কখনো যাবেন না। সোমবার (২৫ সেপ্টেম্বর) সুপ্রিম কোর্টে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন। এদিন শেষ কর্মদিবস পালন করেন প্রধান বিচারপতি। নবনিযুক্ত প্রধান বিচারপতি ওবায়দুল হাসান আগামীকাল প্রধান বিচারপতি হিসেবে শপথ নেবেন। নবনিযুক্ত প্রধান বিচারপতি ওবায়দুল হাসান, আপিল বিভাগের বিচারপতি মো. বোরহান উদ্দিন, বিচারপতি এম. ইনায়েতুর রহিম, বিচারপতি মো. আশফাকুল ইসলাম, বিচারপতি মো. আবু জাফর সিদ্দিকী ও বিচারপতি জাহাঙ্গীর হোসেন সেলিম হাসান ফয়েজ সিদ্দিকীকে বিদায় জানান। এর আগে নবনিযুক্ত প্রধান বিচারপতি ওবায়দুল হাসান আপিল বিভাগের বিচারপতিদের নিয়ে প্রধান বিচারপতির খাস কামরায় যান। এরপরই তাদের সঙ্গে নিয়ে নিচে নেমে আসেন বিদায়ী প্রধান বিচারপতি। ভিসানীতির সমালোচনা করে হাসান ফয়েজ সিদ্দিকী বলেন, ‘রক্তের বিনিময়ে এদেশ স্বাধীন হয়েছে, কারো অনুকম্পায় নয়। স্বাধীনতার সময় যারা বিরোধিতা করেছিল, তারাই এখন বিরোধিতা করছে। তাই এই ভিসানীতিতে আমরা বিচলিত নই। আমি ব্যক্তিগতভাবে কখনো আমেরিকা যাইনি। ভবিষ্যতেও কখনো যাব না।’ গত ২৪ মে বাংলাদেশের জন্য একটি নতুন ভিসানীতি ঘোষণা দেয় যুক্তরাষ্ট্র। ঘোষণা অনুযায়ী, নির্বাচনে কারচুপি, ভীতি প্রদর্শন এবং নাগরিক ও গণমাধ্যমের বাকস্বাধীনতায় যারা বাধা দেবে, তাদের বিরুদ্ধে মার্কিন ভিসা নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হতে পারে বলে জানায় দেশটি। এই ঘোষণার চার মাস পর গত শুক্রবার (২৩ সেপ্টেম্বর) যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দফতরের মুখপাত্র ম্যাথু মিলার বিবৃতিতে জানান, নিষেধাজ্ঞার আওতায় থাকা এই ব্যক্তিদের মধ্যে আইন প্রয়োগকারী সংস্থার সদস্য, ক্ষমতাসীন দল এবং বিরোধী রাজনৈতিক দলের সদস্যরা অন্তর্ভুক্ত রয়েছেন। এই নিষেধাজ্ঞার আওতায় বিচার বিভাগ সংশ্লিষ্টরাও আসতে পারেন জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। বিপি/কেজে
[বাংলা প্রেস হলো মুক্ত চিন্তার একটি বৈশ্বিক প্রচার মাধ্যম। এটি স্বাধীনচেতা মানুষের জন্য নিরপেক্ষ সংবাদ, বিশ্লেষণ ও মন্তব্য সরবরাহ করে। আমাদের লক্ষ্য হলো ইতিবাচক পরিবর্তন আনা, যা আজকের দিনে আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ।]

মন্তব্য (0)

আলোচনায় যোগ দিন

আপনার মতামত শেয়ার করতে এবং অন্যান্য পাঠকদের সাথে যুক্ত হতে দয়া করে লগইন করুন।

এখনো কোন মন্তব্য নেই

Be the first to share your thoughts on this article!

আপনি এগুলোও পছন্দ করতে পারেন

স্ট্রিট কিচেন-স্পাইস টাউন


স্ট্রিট কিচেন-স্পাইস টাউন

সঙ্গীত একাডেমি


সঙ্গীত একাডেমি