আজ ঢাকা সিটি করপোরেশন নির্বাচনের ভোটগ্রহণ

বাংলাপ্রেস ডেস্ক: ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশন নির্বাচনের ভোটগ্রহণ আজ শনিবার। এদিন সকাল ৮টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত টানা ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। এ নির্বাচনের জন্য সব ধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। ইতোমধ্যে কেন্দ্রে কেন্দ্রে পৌঁছে গেছে ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন (ইভিএম)সহ নির্বাচনি সামগ্রী।
অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের লক্ষ্যে সবার সহযোগিতা চেয়েছে ইসি। একইসঙ্গে ভোটারদের নিরাপত্তার প্রতিশ্রুতি দিয়ে নির্বিঘ্নে ভোটাধিকার প্রয়োগেরও অনুরোধ করেছে ইসি।
এবারও সিটি করপোরেশন নির্বাচনে মেয়র পদে নির্বাচন হচ্ছে দলীয় মনোনয়নে। আওয়ামী লীগ ও বিএনপিসহ নির্বাচন কমিশনে নিবন্ধিত দেশের বেশ কয়েকটি রাজনৈতিক দলের প্রার্থীরা এতে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। তবে, বিশেষজ্ঞ মহল মনে করছে, একাধিক প্রার্থী থাকলেও মূল লড়াই হবে নৌকা ও ধানের শীষের মধ্যে।
তবে, এবারই প্রথম ঢাকার দুই সিটি নির্বাচনের সব কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ হচ্ছে ইভিএমে। এজন্য প্রস্তুত করা হয়েছে প্রায় ২৯ হাজার ইভিএম।
এদিকে, রাজধানী শহরের বড় এই নির্বাচনকে ঘিরে আগ্রহ দেখা দিয়েছে সব মহলের। গোটা দেশবাসীর চোখই এখন ঢাকার দিকে। ইতোমধ্যে মাঠে নেমেছে বিজিবি, র্যাব ও পুলিশের মোবাইল ও স্ট্রাইকিং ফোর্স।
ঢাকার এই দুই সিটি নির্বাচনের প্রচারে বিচ্ছিন্ন কয়েকটি ঘটনা ছাড়া উল্লেখযোগ্য কোনও সংঘর্ষ হয়নি। আওয়ামী লীগ ও বিএনপি সমর্থিত মেয়র ও কাউন্সিলর প্রার্থীরা ২১ দিন অনেকটা নির্বিঘ্নেই প্রচার চালিয়েছেন। তবে পিছিয়ে ছিলেন অন্য প্রার্থীরা। সব মিলিয়ে ভোটার ও প্রার্থীদের মধ্যে উৎসব ভাব বিরাজ করছে।
সর্বশেষ ২০১৫ সালের ২৮ এপ্রিল ঢাকার দুই সিটিতে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। ওই সময় ঢাকা উত্তরে ৩৬টি ও দক্ষিণে ৫৭টি ওয়ার্ড ছিল। এবারের দুই সিটিতে ১৮টি করে মোট ৩৬টি ওয়ার্ড সম্প্রসারণ করা হয়েছে। এতে বেড়েছে ভোটার ও কেন্দ্র সংখ্যাও। এ নির্বাচনে দুই সিটিতে ২ হাজার ৪৬৮টি কেন্দ্রে ভোটাধিকার প্রয়োগের সুযোগ পাবেন ৫৪ লাখ ৬৩ হাজার ৪৬৭ জন ভোটার।
বিপি/আর এল
আপনি এগুলোও পছন্দ করতে পারেন
আন্তরিকতার সঙ্গে দেশসেবা করতে নবীন সেনা কর্মকর্তাদের প্রতি প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান
স্ট্রিট কিচেন-স্পাইস টাউন
সঙ্গীত একাডেমি