আগুনে দগ্ধ হওয়ার ৭ দিন পর তিন সন্তান, মা, বাবাসহ চলে গেলেন সবাই
বাংলা প্রেস
প্রকাশ: ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ১২:৪২ পিএম
বাংলাপ্রেস ডেস্ক: পুরান ঢাকার সূত্রাপুরের কাগজি টোলা এলাকায় একটি বাসায় গ্যাসের লাইনের ছিদ্র থেকে লাগা আগুনে দগ্ধ একই পরিবারের পাঁচজনের সবাই একে একে মারা গেছেন।
গতকাল বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান রিপন পেয়াদা (৩৫)। এর আগে একই হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রিপন পেয়াদার তিন সন্তান আয়েশা (১), রোকন পেয়াদা (১৪), তামিম পেয়াদা (১৬) মারা যায়। দগ্ধ স্ত্রী চাঁদনী (২৮) গ্রামের বাড়ি নিয়ে যাওয়ার পথে মারা যান।
জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক ইনস্টিটিউটের আবাসিক সার্জন শাওন বিন রহমান প্রথম আলোকে বলেন, রিপন পেয়াদার শরীরের ৬০ শতাংশ পুড়েছিল। তাঁর গ্রামের বাড়ি পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালীতে।
গত ১১ জুলাই দিবাগত রাত একটার দিকে ওই বাসায় অগ্নিকাণ্ডে পাঁচজন দগ্ধ হন। দগ্ধ ব্যক্তিদের মধ্যে রিপনের শরীরের ৬০ শতাংশ, চাঁদনীর ৪৫, তামিমের ৪২, রোকনের ৬০ ও আয়েশার ৬৩ শতাংশ পুড়ে যায়।
দগ্ধ চাঁদনীর মামা জাকির হোসেন জানিয়েছিলেন, পাঁচতলা বাড়িটির নিচতলায় এক কক্ষে পরিবারটি ভাড়া থাকত। রাতে পরিবারের সদস্যরা ঘুমিয়ে পড়েন। তাঁরা ঘুমে থাকা অবস্থায় কক্ষটিতে আগুন ছড়িয়ে পড়ে। এ ঘটনায় পরিবারটির পাঁচজন সদস্যই দগ্ধ হন। পরে তাঁদের উদ্ধার করে বার্ন ইনস্টিটিউটে নেওয়া হয়।
[বাংলা প্রেস বিশ্বব্যাপী মুক্তচিন্তার একটি সংবাদমাধ্যম। স্বাধীনচেতা ব্যক্তিদের জন্য নিরপেক্ষ খবর, বিশ্লেষণ এবং মন্তব্য সরবরাহ করে। আমাদের লক্ষ্য হলো ইতিবাচক পরিবর্তন আনা, যা আজ আগের চেয়ে আরও বেশি গুরুত্বপূর্ণ।]
বিপি>টিডি
[বাংলা প্রেস হলো মুক্ত চিন্তার একটি বৈশ্বিক প্রচার মাধ্যম। এটি স্বাধীনচেতা মানুষের জন্য নিরপেক্ষ সংবাদ, বিশ্লেষণ ও মন্তব্য সরবরাহ করে। আমাদের লক্ষ্য হলো ইতিবাচক পরিবর্তন আনা, যা আজকের দিনে আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ।]
আপনি এগুলোও পছন্দ করতে পারেন
বাংলাদেশ
জাতিসংঘ ফোরামে বাংলাদেশ: নিরাপদ অভিবাসনে বৈশ্বিক সহযোগিতার আহ্বান
১০ ঘন্টা আগে
by বাংলা প্রেস
বাংলাদেশ
আমরা জুলাই সনদের প্রতিটি দাঁড়ি-কমা মেনে চলতে অঙ্গীকারবদ্ধ: আইনমন্ত্রী
১০ ঘন্টা আগে
by বাংলা প্রেস
স্ট্রিট কিচেন-স্পাইস টাউন
সঙ্গীত একাডেমি