৭ মে ২০২৬

৫২ মানহীন পণ্য ১০ দিনের মধ্যে সরাতে হাইকোর্টের নির্দেশ

Logo
বাংলা প্রেস প্রকাশ: ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ১২:৩৮ পিএম
৫২ মানহীন পণ্য ১০ দিনের মধ্যে সরাতে হাইকোর্টের নির্দেশ

জাতীয় ডেস্ক: বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউশনের (বিএসটিআই) ল্যাবে পরীক্ষায় অনুত্তীর্ণ ৫২টি ভেজাল ও নিম্নমানের পণ্য বাজার থেকে সরাতে নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। এছাড়া সেই পণ্যগুলো ধ্বংস করে ফেলার আদেশ দেন আদালত।

বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের ৫২টি মানহীন ও ভেজাল পণ্য নিয়ে শুনানিতে রোববার হাইকোর্টের বিচারপতি শেখ হাসান আরিফ ও বিচারপতি রাজিক আল জলিলের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

আদালতে রিটের পক্ষে শুনানিতে উপস্থিত ছিলেন ব্যারিস্টার শিহাব উদ্দিন খান। বিএসটিআইয়ের পক্ষে ব্যারিস্টার সরকার এম আর হাসান আর নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের পক্ষে অ্যাডভোকেট ফরিদুল ইসলাম।

শুনানি শেষে ব্যারিস্টার শিহাব উদ্দিন খান বলেন, ৫২টি মানহীন ও ভেজাল পণ্য তৈরিকারী প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নিতে আদালত নির্দেশনা দিয়েছে। এছাড়া ওই পণ্যগুলো ধ্বংস করে ফেলতে নির্দেশনা দেয়া হয়েছে, যেন তৃতীয় কারও হাতে না যায়।

এসব মানহীন পণ্যের বিষয়ে ব্যাখ্যা দিতে বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্স অ্যান্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউশনের (বিএসটিআই) ও নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের দুই কর্মকর্তা হাইকোর্টে আসেন।

দুই কর্মকর্তা হলেন- বিএসটিআইয়ের পরিচালক প্রকৌশলী এস এম ইসহাক আলী ও নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের পরিচালক ড. সহদেব চন্দ্র সাহা।

এর আগে গত বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউশনের (বিএসটিআই) ল্যাবে পরীক্ষায় অনুত্তীর্ণ ৫২টি ভেজাল ও নিম্নমানের পণ্য বাজার থেকে প্রত্যাহার এবং এসব পণ্য উৎপাদন ও বাজারজাত বন্ধের নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট আবেদন করা হয়।

ভোক্তা অধিকার সংস্থা ‘কনসাস কনজুমার্স সোসাইটির’ (সিসিএস) পক্ষে হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় আবেদনটি জমা দেন প্রতিষ্ঠানটির আইন উপদেষ্টা ও সুপ্রিমকোর্টের আইনজীবী ব্যারিস্টার শিহাব উদ্দিন খান।

আবেদনের সঙ্গে বিএসটিআই কর্তৃক প্রকাশিত অনুত্তীর্ণ ৫২টি পণ্যের তালিকা সংযুক্ত করা হয়েছে। পণ্যের গুণগতমান বিএসটিআই কর্তৃক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ না হওয়া পর্যন্ত উৎপাদন বন্ধের নির্দেশনাও চাওয়া হয় রিটে।

বিপি/কেজে

[বাংলা প্রেস হলো মুক্ত চিন্তার একটি বৈশ্বিক প্রচার মাধ্যম। এটি স্বাধীনচেতা মানুষের জন্য নিরপেক্ষ সংবাদ, বিশ্লেষণ ও মন্তব্য সরবরাহ করে। আমাদের লক্ষ্য হলো ইতিবাচক পরিবর্তন আনা, যা আজকের দিনে আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ।]

মন্তব্য (0)

আলোচনায় যোগ দিন

আপনার মতামত শেয়ার করতে এবং অন্যান্য পাঠকদের সাথে যুক্ত হতে দয়া করে লগইন করুন।

এখনো কোন মন্তব্য নেই

Be the first to share your thoughts on this article!

স্ট্রিট কিচেন-স্পাইস টাউন


স্ট্রিট কিচেন-স্পাইস টাউন

সঙ্গীত একাডেমি


সঙ্গীত একাডেমি