মিনারা হেলেন: জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা কার্যক্রমকে আরও শক্তিশালী করতে বাংলাদেশ একাধিক বিশেষায়িত সামরিক ও পুলিশ ইউনিট প্রস্তাব করেছে। বুধবার বার্লিনে অনুষ্ঠিত জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মন্ত্রী পর্যায়ের সম্মেলনের সমাপনী দিনে বাংলাদেশের পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেন দেশের পক্ষ থেকে এই নতুন অঙ্গীকারসমূহ ঘোষণা করেন।
বাংলাদেশের অঙ্গীকারের মধ্যে রয়েছে—পুলিশ ইউনিটে ১৫ শতাংশ নারী শান্তিরক্ষী মোতায়েন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা-নির্ভর ক্যাম্প নজরদারি ও প্রতিক্রিয়া ব্যবস্থা চালু, এবং বিদ্যমান মিশনগুলোর জন্য ১.৮ মেগাওয়াট সৌর বিদ্যুৎ সরবরাহ ব্যবস্থার স্থাপন।
বাংলাদেশ প্রতিনিধিদলের উপপ্রধান, প্রতিরক্ষা ও জাতীয় সংহতি উন্নয়নবিষয়ক প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী অবসরপ্রাপ্ত লেফটেন্যান্ট জেনারেল আবদুল হাফিজ এক সমান্তরাল সেশনে প্যানেল আলোচনায় অংশ নেন। তিনি মাঠ পর্যায়ে প্রযুক্তির যথাযথ ব্যবহারের মাধ্যমে শান্তিরক্ষীদের নিরাপত্তা ও সুরক্ষা নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন এবং শান্তিরক্ষীদের এসব প্রযুক্তি ব্যবহারে কাঠামোবদ্ধ প্রশিক্ষণের আহ্বান জানান। পাশাপাশি, শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার দায়িত্বশীল ব্যবহারের ওপরও গুরুত্ব দেন তিনি।
সম্মেলনের ফাঁকে পররাষ্ট্র উপদেষ্টা লাইবেরিয়া, পানামা, এসওয়াতিনি, গিনি, চেক প্রজাতন্ত্র এবং কঙ্গো প্রজাতন্ত্রের (ডেমোক্রেটিক রিপাবলিক অব কঙ্গো) পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক করেন। এছাড়াও, তিনি আন্তর্জাতিক রেড ক্রস কমিটির মহাপরিচালক এবং ইউরোপীয় ইউনিয়নের পররাষ্ট্র কর্মপরিষদের উপ-মহাসচিবের সঙ্গেও বৈঠক করেন।
[বাংলা প্রেস বিশ্বব্যাপী মুক্তচিন্তার একটি সংবাদমাধ্যম। স্বাধীনচেতা ব্যক্তিদের জন্য নিরপেক্ষ খবর, বিশ্লেষণ এবং মন্তব্য সরবরাহ করে। আমাদের লক্ষ্য হলো ইতিবাচক পরিবর্তন আনা, যা আজ আগের চেয়ে আরও বেশি গুরুত্বপূর্ণ।]
বিপি।এসএম
[বাংলা প্রেস হলো মুক্ত চিন্তার একটি বৈশ্বিক প্রচার মাধ্যম। এটি স্বাধীনচেতা মানুষের জন্য নিরপেক্ষ সংবাদ, বিশ্লেষণ ও মন্তব্য সরবরাহ করে। আমাদের লক্ষ্য হলো ইতিবাচক পরিবর্তন আনা, যা আজকের দিনে আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ।]