৫ মে ২০২৬

২০২৫ সালে বিশ্বে ১২৮ সাংবাদিককে হত্যা

Logo
বাংলা প্রেস প্রকাশ: ০২ জানুয়ারী ২০২৬, ০২:১৯ পিএম
২০২৫ সালে বিশ্বে ১২৮ সাংবাদিককে হত্যা

বাংলাপ্রেস ডেস্ক: ২০২৫ সালে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে হত্যার শিকার হয়েছেন ১২৫ সাংবাদিক। বেলজিয়ামভিত্তিক ইন্টারন্যাশনাল জার্নালিস্ট ফেডারেশন (আইএফজে) এ তথ্য জানিয়েছে। এসব হত্যাকাণ্ড সবচেয়ে বেশি ঘটেছে পশ্চিম এশিয়ায়। এর মধ্যে ফিলিস্তিন ভূখণ্ড গাজায় ইসরায়েলের হামলায় অন্তত ৫৬ সাংবাদিক নিহত হয়েছেন, যা মোট নিহতের ৪৪ শতাংশ।

নিহতদের মধ্যে আফ্রিকায় এক বছরে ১৮ জন, এশিয়া-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে ১৫, আমেরিকায় ১১ এবং ইউরোপে ১০ সাংবাদিক রয়েছেন। তবে তালিকায় ৯ জন রয়েছেন, যাদের মৃত্যু হয় দুর্ঘটনায়। নিহতদের মধ্যে ১০ নারী সাংবাদিক রয়েছেন।

ফেডারেশন ভারতে চারটি মৃত্যুর তথ্য জানিয়েছে। গত বছরের ১ জানুয়ারি হত্যার শিকার হন ইউটিউব চ্যানেল ‘বাস্টার জাঙ্কশন’ পরিচালনাকারী সাংবাদিক মুকেশ চন্দ্রকর। ছত্তিশগড়ের বিজাপুর জেলায় একটি সড়ক নির্মাণ প্রকল্পে অনিয়মের অভিযোগে রিপোর্ট করার অভিযোগে তাঁকে হত্যা করা হয়েছিল।

ফেডারেশন জানায়, বছরে বিশ্বের ৫৩৩ সাংবাদিককে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। এশিয়া-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে কারাদণ্ডপ্রাপ্ত সাংবাদিকের সংখ্যা ২৭৭, যা সবচেয়ে বেশি। এ ছাড়া চীনে ১৪৩ ও মিয়ানমারে ৪৯ জন রয়েছেন। এর আগে ২০২৪ সালে ফেডারেশন ১২২ সাংবাদিক নিহত এবং ৫১৬ জনকে কারাদণ্ড দেওয়ার খবর দিয়েছিল। সাংবাদিকদের সুরক্ষায় কর্তৃপক্ষের ‘ক্রমাগত ব্যর্থতার’ নিন্দা জানিয়েছে ফেডারেশন এবং সহিংসতা বন্ধে তাৎক্ষণিক ও সিদ্ধান্তমূলক পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে। ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক অ্যান্থনি বেলাঙ্গার বলেন, এক বছরে ১২৮ সাংবাদিক নিহত হওয়ার ঘটনা শুধু একটি পরিসংখ্যান নয়, এটি একটি বৈশ্বিক সংকট।

গাজায় ৫৬ সাংবাদিক নিহত

আইএফজে জানিয়েছে, ২০২৫ সালে সাংবাদিক হিসেবে কাজ করার জন্য ফিলিস্তিন ছিল সবচেয়ে ভয়ংকর স্থান। আর সমগ্র মধ্যপ্রাচ্য মিডিয়া পেশাদারদের জন্য সবচেয়ে বিপজ্জনক অঞ্চল। গত বছর এই অঞ্চলে ৭৪ জন নিহত হয়েছেন। তাদের মধ্যে শুধু গাজায় নিহত হয়েছেন ৫৬ সাংবাদিক। এরমধ্যে আলজাজিরার সাংবাদিক আনাস আল-শরিফের হত্যাকে সবচেয়ে মারাত্মক বলে উল্লেখ করেছে।

বিপি/টিআই

[বাংলা প্রেস হলো মুক্ত চিন্তার একটি বৈশ্বিক প্রচার মাধ্যম। এটি স্বাধীনচেতা মানুষের জন্য নিরপেক্ষ সংবাদ, বিশ্লেষণ ও মন্তব্য সরবরাহ করে। আমাদের লক্ষ্য হলো ইতিবাচক পরিবর্তন আনা, যা আজকের দিনে আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ।]

মন্তব্য (0)

আলোচনায় যোগ দিন

আপনার মতামত শেয়ার করতে এবং অন্যান্য পাঠকদের সাথে যুক্ত হতে দয়া করে লগইন করুন।

এখনো কোন মন্তব্য নেই

Be the first to share your thoughts on this article!

আপনি এগুলোও পছন্দ করতে পারেন

স্ট্রিট কিচেন-স্পাইস টাউন


স্ট্রিট কিচেন-স্পাইস টাউন

সঙ্গীত একাডেমি


সঙ্গীত একাডেমি